শনিবার, ০৪ Jul ২০২৬, ০২:৫২ পূর্বাহ্ন
ছোট বা মাঝারি আকারের ফ্ল্যাট কিনতে আগ্রহী আব্দুল খালেক। তবে সেটি হতে হবে প্রস্তুত। নির্মাণাধীন ফ্ল্যাটে তাঁর আগ্রহ কম। কারণ ফ্ল্যাট বুঝে পেতে দেরি হয়।
বাড্ডা থেকে ফ্ল্যাটের দাম যাচাই করতে মেলায় এসেছেন আসাদুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘আমি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করি। বেতন যা পাই, তাতে হোম লোন নিতে পারব। কিন্তু লোন নিয়ে নির্মাণাধীন ফ্ল্যাট বুকিং দিলে সেটি পেতে দেরি হলে নিজের খরচ আর লোন পরিশোধ নিয়ে হিমশিম খেতে হবে। তাই প্রস্তুত একটি ছোট ফ্ল্যাট খুঁজছি। ’
গতকাল মেলার চতুর্থ দিন সরকারি ছুটি থাকায় দর্শনার্থীর উপচে পড়া ভিড় ছিল। গতকাল বিকেল ৩টা পর্যন্ত মেলা কর্তৃপক্ষের হিসাব অনুযায়ী ৩৫০ কোটি টাকার বেশি ফ্ল্যাট, প্লট এবং বাণিজ্যিক স্পেস বিক্রি ও বুকিং হয়েছে।
ব্র্যাক ব্যাংকের স্টল থেকে লোনের তথ্য নিচ্ছিলেন মুকুল হালদার। তিনি বলেন, ‘কত টাকা লোন পাওয়া যাবে, কত কিস্তিতে পরিশোধ করতে হবে, কত শতাংশ লভ্যাংশ পরিশোধ করতে হবে, এসব বিষয়ে খোঁজ নিচ্ছি। একসঙ্গে টাকা জমিয়ে ফ্ল্যাট কেনা সম্ভব না। আর লোন করলে সেটি পরিশোধ করতে পারব কি না সেটিও বোঝার চেষ্টা করছি। ’ জাহিদুল ইসলাম নামের ব্র্যাক ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, সেমি পাকা বাড়ি নির্মাণ, পাকা বাড়ি নির্মাণ এবং ফ্ল্যাট বা বাড়ি কেনার জন্য লোন দেওয়া হয়। সর্বোচ্চ ৮৫ লাখ টাকার লোন সুবিধা দিয়ে থাকে ব্যাংকটি। এই লোন ২৫ বছরে শোধ করতে পারবে ঋণগ্রহীতা।
মেলা বাস্তবায় কমিটির কো-চেয়ারম্যান ও রিহ্যাব সহসভাপতি (প্রথম) কামাল মাহমুদ বলেন, ‘এবারের মেলায় আবাসন খাতের কম্পানিগুলো ছোট, মাঝারিসহ সব ধরনের ফ্ল্যাট-অ্যাপার্টমেন্ট ও প্লট নিয়ে এসেছে। বাজার বিবেচনায় তুলনামূলক দামও কম।